বটুকৃষ্ণ হালদার
বাংলার মাটি ভারতের পবিত্র ভূমি।এই বাংলার মাটি বহু মনীষী জ্ঞানীগুণী সাহিত্যিক দার্শনিকদের জন্মভূমি। এই বাংলার মাটিতে থেকেই প্রথম ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের মশাল জ্বলে উঠেছিলএই বাংলার মাটি থেকেই তৈরি হয়েছিল ব্রিটিশ বধের নকশা। সমগ্র ভারতবর্ষের মধ্যে এই বাংলার মাটিতেই হাজারো বীর সন্তান নিজেদের জীবন বলিদান দিয়েছে।তবে সব আত্মত্যাগের কাহিনী ইতিহাসের পাতায় লিপিবদ্ধ হয়নি।
বীনা দাস ২৪ আগস্ট ১৯১১ সালে জন্মগ্রহণ করেন নদিয়া জেলার কৃষ্ণনগরে। বীনা দাস ছিলেন ভারতীয় ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম একজন অগ্নিকন্যা। হ্যাঁ অগ্নিকন্যা, শুধু অগ্নিপুরুষরা দেশের স্বাধীনতার জন্য লড়াই করেননি। এই দেশের মাটিতে বীর কন্যারাও জন্ম নিয়েছিল। এদের মধ্যে একজন হলেন বীনা দাস। তার পিতার নাম ছিল বেণীমাধব দাস ও মাতার নাম ছিল সরলা দাস। বেণীমাধব দাস ছিলেন ব্রাহ্মসমাজী পন্ডিত ও একজন দেশপ্রেমিক। বীনা দাসের দিদি ছিলেন ব্রিটিশ বিরোধী বিপ্লবী কল্যাণী দাস। বীনা দাস তার পিতার আদর্শে প্রভাবিত হয়ে রাজনীতিতে যোগ দেন। তিনি প্রথম জীবনে কলকাতার বেথুন কলেজে পড়াশোনা করেছিলেন। পরবর্তীকালে তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ডিগ্রী অর্জন করেন। বীণা দাসের পরিবার হলো রাজনৈতিক পরিবার। অসহযোগ আন্দোলন ও জাতীয় আন্দোলনে যোগ দেওয়ার কারণে তার দাদাকে কারাবরণ করতে হয়। বীনা ছাত্রাবস্থায় তিনি রাজনৈতিক মনস্ক হয়ে ওঠেন। সে সময় যুগান্তর দলের কতিপয় সদস্যের সাথে তার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক তৈরি হয়।
বীনা দাস ১৯২৮ সালে সাইমন কমিশন বয়কট করার জন্য বেথুন কলেজের ছাত্রীদের নিয়ে উঠে-পড়ে লেগেছিলেন। ১৯৩০ সালে ডালহৌসির অত্যাচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের জন্য বীনা দাস ছোট ছোট দলের নেতৃত্ব দেন এবং এর ফলে তিনি গ্রেপ্তার হন। বীণা দাস ব্রিটিশ বিরোধী সশস্ত্র বিপ্লবের নেত্রী ছিলেন। ১৯৩২ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় এর সমাবর্তনে বাংলার ব্রিটিশ গভর্নর স্ট্যানলি জ্যাকসনের উপর পিস্তল দিয়ে গুলি চালান। এইসময় জ্যাকসনকে রক্ষা ও বীনা দাসকে ধরে ফেলার কৃতিত্ব অর্জন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য স্যার হাসান সোহরাওয়ার্দী।
বীনা দাস জ্যাকসনকে হত্যা প্রচেষ্টা চালানোর কারণ বিচারে তাকে ৯ বছরের জন্য জেল যেতে হয়। মুক্তির পর বীনা দাস ১৯৪১ থেকে ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত দক্ষিণ কলকাতার কংগ্রেসের সম্পাদিকা ছিলেন। পরে আবার ১৯৪৬ থেকে ১৯৫১ সাল পর্যন্ত তিনি পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার সদস্য ছিলেন। এর মাঝেই ১৯৪৭ সালে স্বাধীনতা সংগ্রামী যতীশ ভৌমিকের সাথে বীনা দাসের বিবাহ হয়। নোয়াখালির দাঙ্গার পরে সেখানে তিনি রিলিফের কাজ করতে শুরু করেন। স্বাধীনতার পরেও সামাজিক ও রাজনৈতিক কাজে নিজেকে ব্যপ্ত রাখেন। বীনা দাস মরিচঝাঁপি গনহত্যার সময় তিনি প্রতিবাদী হয়ে ওঠেন। তার পরবর্তীকালের শেষ জীবন বেদনাদায়ক ও মর্মান্তিক হয়ে ওঠে। বীনা দাসের স্বামী যতীশ ভৌমিকের মৃত্যুর পরে তিনি হরিদ্বার চলে যান। ১৯৮৬ সালের ২৬ ডিসেম্বর ঋষিকেশে সহায় সম্বলহীন হয়ে পথপ্রান্তে মৃত্যুবরণ করেন। পাইনি ন্যূনতম পেনশনটুকু।
সেই মর্মান্তিক কাহিনী সবার জানা দরকার আছে।
স্যার , ভদ্রমহিলা আবারো এসেছেন। ভেতরে আসতে বলবো?
ডি আই সাহেব একটু বিরক্তির সুরে বললেন , বল।
ভেতরে ঢুকলেন এক বৃদ্ধা। দক্ষিণ কলকাতায় এক স্কুল থেকে দশ বছর আগে রিটায়ার করেছেন। এখনো পেনশান পাননি। তদ্বির করতে এসেছেন বৃদ্ধা।
ভেতরে ঢুকতেই ডি আই অব স্কুল তাঁর ফাইলে কৃত্রিম মনোযোগ নিক্ষেপ করে বললেন , যা বলবার তাড়াতাড়ি বলুন। মহিলা তাঁর আঁচলে মুখের ঘাম মুছলেন। চশমার কাঁচ মুছলেন। তারপর ক্ষীণকন্ঠে একটা চেয়ারের কোনা ধরে দাঁড়িয়ে হাঁফাতে হাঁফাতে বললেন , স্যার।আমার ফাইলটা মুভ করেছে?টেবিলের অপর প্রান্তে ফাইলে মুখ গুঁজে ডি আই এর উত্তর ভেসে এলো , কী করে করবে? এ জি বেশ কিছু প্রশ্ন তুলেছে। যথাযথ রিপ্লাই না পেলে আপনার ফাইল পাঠিয়ে কোন লাভ হবে না।
প্রৌঢ়া বললো , কী প্রশ্ন জানতে চান?
ডি আই বিরক্তির সুরে বললেন , আপনার সার্ভিস বুক থরোলি চেক করে আপনাকে আমি আগেও যে প্রশ্ন করেছিলাম এ জি ঠিক সেই প্রশ্নই করেছে ... তবুও আপনি আমায় রিকোয়েস্ট করেছিলেন এ জি-তে ফাইলটা পাঠাতে। আই হ্যাভ ডান মাই ডিউটি। নাও আই হ্যাভ নাথিং টু ডু। আপনার সার্ভিস বুকে আপনার কোয়ালিফিকেশানের কোন উল্লেখ নেই। আপনি যে বি এ পাশ করেছেন তার প্রমাণ কোথায়? আপনাকে স্কুল কমিটি সিলেক্ট করেছিল কমপ্যাশানাট গ্রাউন্ডে। সার্ভিস বুকে শুধু লেখা রয়েছে , সী হ্যাস বীন সিলেক্টেড অন রেকমেনডেশান অব এ সিনিয়র ক্যাবিনেট মিনিস্টার এন্ড দ্যা স্কুল কমিটি হ্যাজ বীন কমপেলড টু রিক্রুট হার অন কমপ্যাশানেট গ্রাউন্ড দ্যাট সি ওয়াজ এ ফ্রীডাম ফাইটার এন্ড হ্যাড বীন ইন জেল ফর এ সেভারেল লঙ ইয়ার্স।
বৃদ্ধার মুখে এবারে ফুটে উঠলো অপমানের ছাপ।
সত্যিই তো , তিনি যে বি এ পাশ করেছেন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সে প্রমাণ কোথায়? তিনি বি এ পাশ করার পর একটা চোথা কাগজ পেয়েছিলেন বটে যেটাকে মার্কশিট বলে। কিন্তু সেটাই বা কোথায়? ১৯৩১ সালে বি এ পাশ করলেন ইংরেজিতে অনার্স নিয়ে। পরের বছরে হল কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন উৎসব। সেই সমাবর্তনে তাঁর সার্টিফিকেট পাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তা আর হল কৈ? সেদিনই যে পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করলো। তারপর দীর্ঘ কারাবাস। কারাবাস থেকে বাড়ি ফিরে এসে দেখলেন পুলিশ ঘরে ঢুকে তাঁর বইপত্র সবকিছু তছনছ করে চলে গেছে। অনেক খুঁজেও পাওয়া গেলো না তাঁর সেই মার্কশিট। আর সেনেট হলের সেই ঘটনার পরেই তো কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাঁর সার্টিফিকেট বাতিল করে দিল। তাঁর তখন মনে হয়নি ঐ সার্টিফিকেটের মূল্য কতখানি। জেল থেকে ছাড়া পাওয়ার কিছুদিন পর আবারো জেলে গেলেন ভারত-ছাড়ো আন্দোলনে যোগ দিয়ে। দেশ স্বাধীন হল। তাঁর মনে হল , এই স্বাধীনতাই কি তাঁরা চেয়েছিল? পেটের দায়ে নেতাদের দয়ায় দক্ষিণ কলকাতার এক স্কুল থেকে অন্য স্কুলে চাকরি করলেন ক'বছর। তখন কি করে বুঝবেন যে এ দেশে কমপ্যাসানেট গ্রাউন্ডে চাকরি পাওয়া যেতে পারে কিন্তু ইউনিভার্সিটির বাজেয়াপ্ত সার্টিফিকেট পাওয়া যায় না! এই সার্টিফিকেটের জন্যে তিনি বহুবার কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়ে রেজাল্ট সেকশানে তদ্বির করেছেন। শেষে একজন এসিস্ট্যান্ট কন্ট্রোলার অনেক ফাইল ঘেঁটে-ঘুটে তাঁকে শেষে বলেছিলেন , আপনার সম্পর্কে সে সময় সিনেটে যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল তা বর্তমান সিনেট কনডোন করে আপনাকে সার্টিফিকেট দেওয়ার সুপারিশ না করা পর্যন্ত আপনাকে কোন সার্টিফিকেট দেওয়া যাবে না। অনেক চেষ্টা করে বৃদ্ধা একবার ভাইস চ্যান্সেলারের সাথে গিয়েও দেখা করেছিলেন। ভি সি যদিও খুব ভদ্র ব্যবহার করেছিলেন কিন্তু তিনিও তাঁকে সেই একই কথা বলেছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের রুলস অনুযায়ী সিনেটের পারমিশান ছাড়া কাউকে সারটিফিকেট দেওয়ার কোন প্রভিশান নেই। একজন সিনেট সদস্য একবার ব্যক্তিগত উদ্যোগে তাঁকে ইউনিভার্সিটির তরফে সার্টিফিকেট দেওয়ার ব্যাপারে একটা প্রস্তাব তুলেছিলেন। কিন্তু সিনেট তো আসলে দলীয় রাজনীতির আখড়া। যিনি প্রস্তাব তুলেছিলেন তিনি তো দলীয় রাজনীতির বিচারে মাইনরিটি। তা তাঁর প্রস্তাব বাকিরা মানবে কেন? ফলে প্রস্তাবটা প্রত্যাখ্যান হল। আফটার অল , বৃদ্ধা একজন কংগ্রেসি মন্ত্রীর রেকমনডেশনে স্কুলের চাকরিটা পেয়েছিলেন। কংগ্রেসিরা রাজ্য শাষণ থেকে বিদায় নিয়েছে। বৃদ্ধা আজও মনে-প্রাণে কংগ্রেসি। ক্ষমতায় এখন বামপন্থীরা। তাদের সেনেটররা এটা মানবেন কেন? কংগ্রেসিদের যত কিছু ছলাকলা সেসব গঙ্গাজলে ধুয়েমুছে শিক্ষাক্ষেত্রকে স্যানিটাইজ করার জন্যেই তো বামপন্থীরা ক্ষমতায় এসেছেন।
দোরে দোরে ঘুরেও সমস্যার কোন সুরাহা হল না। উপরন্তু যারা তাঁকে কর্মসূত্রে চেনে বা জানে তারা আড়ালে-আবডালে বলতে লাগলো , মন্ত্রীর সুপারিশে কোন সার্টিফিকেট ছাড়া এতো বছর চাকরি করেও ক্ষিদে মেটেনি। এখন আবার পেনশনের জন্যে বুড়ি তদ্বির করতে শুরু করেছেন এখানে ওখানে। একদিন কথাটা কানে গেলো বৃদ্ধার। তাঁর স্বামীও ছিলেন একজন প্রাক্তন স্বাধীনতা সংগ্রামী। তিনিও গত হয়েছেন। নিঃসন্তান , সহায়সম্বলহীন বৃদ্ধার দু-চোখে তখন শুধু অন্ধকার। মনে করে দেখলেন , যেদিন তিনি কলকাতা ইউনিভারসিটির সার্টিফিকেটের পরোয়া না করে শহিদ বিনয় বসুর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে ইউনিভারসিটির চ্যান্সেলর স্টানলি জ্যাকসনের দিকে তাক করে রিভলবার চালিয়ে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন সেদিন কিন্তু তাঁর দু-চোখে একটুও অন্ধকার ছিল না। ছিল শুধু স্বপ্ন! সে স্বপ্ন হল একদিন না একদিন দেশ স্বাধীন হবেই হবে। সে সব কোন যুগের কথা। আর কেই বা সেসব কথা মনে রেখেছে?
হতাশায় নিমজ্জিত , আশাহীন বৃদ্ধা চোখের জল ফেলতে ফেলতে একদিন মনের দুঃখে চলে গেলেন হরিদ্বারে। তারপর হরিদ্বার থেকে একদিন এলেন হৃষীকেশে। কবে গেলেন হরিদ্বার আর কবেই বা এলেন হৃষীকেশে ---- সেসব এখন ডাস্টবিনের জঞ্জাল।
কলকাতা শহরটাকে তাঁর নিশ্চয়ই তখন মনে হয়েছিল এক জেলখানা। যে জেলখানার চেয়ে ইংরেজের জেলেখানায় কষ্ট এবং গর্ব ---- দুইই ছিল ঢের ঢের বেশি। এই গর্বই একদিন সব দুঃখ-কষ্ট ভোলাতে সাহায্য করেছিল তাঁকে। কিন্তু এখন এখানে থাকবেন কার ভরসায় আর কীসের আকর্ষণে? এখানে তো দুহাত ভরে কুড়িয়েছেন শুধু অপমান আর অপমান।
হৃষীকেশে কার কাছে গেলেন তিনি? কে তাঁকে আশ্রয় দিল? হয়তো দেখা যাবে কোন আশ্রমে সকালে ও সন্ধ্যায় অনাথ ভিখিরিদের সাথে পাত-পেরে তিনিও বসে গেছেন দুটো অন্নের লোভে! মানুষের পেটের দায় যে বড় বেশি!
কতদিন হৃষীকেশে ছিলেন তার কোন প্রমাণ নেই। কে রাখবে সে খোঁজ? কত মানুষ সেখানে নিত্য আসে যায়! তবে হ্যাঁ , একদিন হৃষীকেশের পুলিশের কাছে খবর এলো যে অমৃতবাহিনী গঙ্গার কোলে এক নির্জন স্থানে এক বেওয়ারিশ লাশ দেখা গেছে। স্থানীয় মানুষেরা কেউ তাকে চেনে না। পুলিশ গিয়ে সেই লাশ উদ্ধার করলো। পুলিশ দেখলো লাশটি এক মহিলার। বয়েস আনুমানিক সত্তর। তাঁর কাপড় পরার ধরণ দেখে পুলিশের মনে হল মহিলা সম্ভবত বাঙালি। শরীরে কোন অলংকার নেই। লোক্যাল পেপারে মহিলার মুখের ছবি ছাপা হল। পেপারের খবরটা নজরে এলো ড ত্রিগুণা সেনের। তিনি তখন কনখলে আনন্দময়ী মায়ের আশ্রম রয়েছেন। ড ত্রিগুণা সেন ফোন করলেন তাঁর এক ছাত্রকে হৃষীকেশে। সেই ছাত্রের কাছে সংবাদের সত্যতা যাচাই করে ছুটে এলেন নিজে। হৃষীকেশে।
এসে কী দেখলেন ত্রিগুণা সেন? পুলিশ মর্গে গিয়ে দেখলেন কীভাবে নিশ্চিন্তে ' ঘুমের দেশে ' চলে গেছেন এক বীরাঙ্গনা যিনি একদিন বাংলার ছোটলাটকে সেনেট হলে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে গুলি চালিয়ে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। যিনি ছিলেন বাঙালির শ্রেষ্ঠ বীর ও দেশপ্রেমিক সুভাষচন্দ্রের জীবনে শ্রেষ্ঠ শিক্ষক হিসেবে পরিচিত বেণীমাধব দাসের কন্যা। যিনি কেন্দ্রীয় সরকারের দেওয়া স্বাধীনতা সংগ্রামীর পেনশান প্রত্যাখ্যান করেছিলেন নীতিগত কারণে। অথচ যিনি বহু চেষ্টা করেও আইনের বজ্রআঁটুনির জন্যে নিজের প্রাপ্য পেনশান আদায় করতে পারেননি সরকারের থেকে। বঞ্চিত হয়েছিলেন ন্যায্য অধিকার থেকে। বলা বাহুল্য যে , ত্রিগুণা সেন বীণাকে চিনতেন।যাদবপুরে যখন তিনি ভি সি তখন অনেক অনুষ্ঠানেই বীণার সাথে তাঁর দেখাসাক্ষাৎ হয়েছে।
বীরাঙ্গনা বীণা দাস।তোমায় আমরা তোমার ন্যায্য অধিকার থেকে সেদিন বঞ্চিত করে যে অন্যায় করেছিলাম তার জন্যে তুমি আমাদের মতো এই অধম , অধঃপতিত ও নির্বোধ জাতিকে ক্ষমা করো।


