ডোমজুড়, হাওড়া — কারখানার সাধারণ শ্রমিক কার্তিক রুইদাস হঠাৎই বিপাকে পড়েন জিএসটি আধিকারিকদের হানায়। পেশায় কারখানার শ্রমিক ও মাত্র ৯,৫০০ টাকা বেতনপ্রাপ্ত কার্তিককে ৭ কোটি টাকার জিএসটি দিতে বললে মাথায় হাত পড়ে তাঁর।
জিএসটি আধিকারিকরা কার্তিককে জানান যে তাঁর নামে কেডি এন্টারপ্রাইজ নামের একটি সংস্থা রয়েছে, যেখানে কোটি কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে। তাদের দাবি অনুযায়ী কার্তিকের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে প্রতি মাসে প্রায় ৩৬ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে — যা কর ফাঁকির অন্তর্ভুক্ত, এবং এর সাথে ৭ কোটি টাকা জিএসটি দেওয়া বাকি রয়েছে।
পরে তদন্তে প্রকাশিত হয় যে কারো বা কারা কার্তিকের প্যান কার্ড, আধার কার্ড ও বিদ্যুত্ বিলের তথ্য ব্যবহার করে জাল কোম্পানি খুলেছে। সেই কোম্পানিতে দেওয়া ফোন নম্বরগুলিও কার্তিকের ছিল না।
কার্তিক এই ঘটনায় সাইবার ক্রাইমে অভিযোগ দায়ের করেছেন, এবং পুলিশ ও কর কর্তৃপক্ষ ঘটনার গভীর তদন্ত শুরু করেছে।


